ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্স ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্স ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অ্যাথলেটিক্স মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক। ৪ থেকে ৬ মে পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এই আসরে দেশের ২১ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাথলেটিক্স (ছাত্র-ছাত্রী) ও বাস্কেটবল (ছাত্র) দলগুলো অংশ নিচ্ছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ মর্যাদা ও ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের মাননীয় প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন এবং ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের মাননীয় প্রশাসক জনাব মোঃ আব্দুল মজিদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. এয়াকুব আলী এবং মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক দেশের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে এবং এরই ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যে ৩০০ জন খেলোয়াড়কে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্যে গত ২ মে থেকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা আগামী অর্থবছর থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত থেকে শুরু করা হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও যোগ করেন যে, তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়ার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো আন্তঃস্কুল, আন্ত:কলেজ ও আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতা। এখানে জয়-পরাজয়ের চেয়েও অংশগ্রহণ এবং নিজেদের দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পাওয়াটাই বড় সার্থকতা।
প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আধুনিক ক্রীড়া বিজ্ঞানের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, সরকার স্পোর্টস সায়েন্স, স্পোর্টস মেডিসিন ও স্পোর্টস সাইকোলজির প্রসারে বিশেষ নজর দিচ্ছে এবং এই ক্ষেত্রের সংশ্লিষ্টদের যথাযথ অগ্রাধিকার প্রদান করা হবে। একটি সুশৃঙ্খল ও ক্রীড়াবান্ধব জাতি গঠনে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা খেলোয়াড়, প্রশিক্ষক এবং ক্রীড়া সংগঠকদের উপস্থিতিতে পুরো মাঠ প্রাঙ্গণ এক উৎসবমুখর মিলনমেলায় পরিণত হয়।
SobuzBanlgadesh
.jpg)