ঢাকা |

যুবকদের কর্মসংস্থান হলে সামাজিক অপরাধ কমে আসবে--যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

যুবকদের কর্মসংস্থান হলে সামাজিক অপরাধ কমে আসবে--যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ছবির ক্যাপশন :
header 3_728
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেছেন, বর্তমান সরকার দুনীর্তিতে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছে। প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে যুবসমাজকে কর্মক্ষম করে গড়ে তোলা হবে। যুবকদের কর্মসংস্থান হলে সামাজিক অপরাধ কমে আসবে।

কেয়ার বাংলাদেশ এবং এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজেস বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় আজ (১৪ আগস্ট ২০২৬, শুক্রবার) এফডিসিতে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে আয়োজিক ছায়া সংসদে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিগ্রি নিয়ে যুবকরা যাতে বেকার হয়ে ঘরে বসে না থাকে, তারা যাতে বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করে নিজেদেরকে স্বাবলম্বী করে তুলতে পারে তার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তরুণ সমাজকে মাদকাসক্তি থেকে মুক্ত করতে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই। সরকার খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কাজ শুরু করেছে। যেখানেই খালি জায়গা থাকবে সেখানেই খেলার মাঠ করার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষে ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে তরুণদের জীবনযাত্রা ভিন্ন ভিন্ন হলেও তাদের চাহিদা একই। তারা মানসম্মত শিক্ষা, শোভন কাজ, মর্যাদাপূর্ণ জীবন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও টেকসই ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা করে। বিগত শাসনামলে চাকুরির বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা হয়নি। সার্টিফিকেট নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিলো। বর্তমান সরকার কর্মমুখী শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশে ও বিদেশের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার উদ্যোগ নিচ্ছে। দক্ষ যুবশক্তি গড়ে তুলে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে না পারায় হতাশাগ্রস্ত তরুণ—যুবকরা নেশার দিকে ঝুঁকে পড়ছে। আমাদের দুর্ভাগ্য, দেশের মোট মাদকাসক্তের ৮০ শতাংশই তরুণ ও যুবক। বিগত সময়ে কর্মমুখী শিক্ষাসহ খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড না থাকায় হতাশাগ্রস্ত তরুণরা গাঁজা, ইয়াবা, ফেন্সিডিল, হেরোইন আসক্ত হয়ে পড়েছিলো। বর্তমান সরকারের নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি, মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ, ক্রীড়া ভাতা, খেলার মাঠ তৈরি ও আধুনিকায়নসহ তরুণ যুবকদের জন্য নেয়া বহুমুখী কর্মসূচিকে আমরা স্বাগত জানাই। এই ধরনের উদ্যোগ যুবসমাজকে মাদকাশক্তি থেকে মুক্ত করে সুস্থ ও কর্মক্ষম জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

‘দক্ষ যুবশক্তি গড়ে তুলতে সরকারের চেয়ে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বেশি গুরুত্বপূর্ণ’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকদের পরাজিত করে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন— অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ রইস, ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন, ড. এস এম মোর্শেদ, কেয়ার বাংলাদেশের পরিচালক রওনক জাহান ও এসওএসের ডেপুটি ন্যাশনাল ডিরেক্টর মো. মাসুদ রানা। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। ছায়া সংসদটি আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : SobuzBanlgadesh
প্রতিবেদকের তথ্য
SobuzBanlgadesh

SobuzBanlgadesh

সর্বশেষ সংবাদ
যুবকদের কর্মসংস্থান হলে সামাজিক অপরাধ কমে আসবে--যুব ও ক্রীড়

যুবকদের কর্মসংস্থান হলে সামাজিক অপরাধ কমে আসবে--যুব ও ক্রীড়