গত ১২ মার্চ ২০২৬ রাতে রাজধানী মালদ্বীপের মালে থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ডিগুরাহ দ্বীপে একটি গেস্ট হাউসে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের মর্মান্তিক ঘটনায় পাঁচজন প্রবাসী বাংলাদেশি দুঃখজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন এবং আরো দু’জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের পর গেস্ট হাউসের ভেতর থেকে মোট সাতজনকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন— তাজ উদ্দিন ইসলাম, মো. সদর আলী, মো. রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম এবং মো. নূরনবী সরকার। আহত দুজন হলেন— জামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন।
ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশন, মালে মালদ্বীপের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ ও সমন্বয় করে নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে হাইকমিশনার নিজে এবং দূতাবাসের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তাদের সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। নিহতদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সঙ্গেও হাইকমিশন যোগাযোগ করেছে।
গুরুতর আহত দুই বাংলাদেশিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মালে শহরের হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পরপরই বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত অন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মোঃ নাজমুল ইসলাম মালের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে আহতদের পরিদর্শন করেন এবং তাদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন। হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি গালুলু মর্গ পরিদর্শন করে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, নিহত মো. সদর আলী ও সফিকুল ইসলামের মরদেহ আগামীকাল বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ হাইকমিশন, মালে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে।
SobuzBanlgadesh
.jpg)