রাজধানীতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে প্রায়ই বিভিন্ন অপতথ্য ছড়ানো হয়। তবে মূলধারার গণমাধ্যমের সদস্যরা এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ জন্য তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিমানবন্দরের বডি-অন ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে কর্তৃপক্ষ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট ফ্লাইটে আসা মোট ৮৩৬টি লাগেজের মধ্যে ২১টি ব্যাগ ছেঁড়া বা কাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে যাত্রীরা কর্তব্যরত গ্রাউন্ড স্টাফদের মৌখিকভাবে অবহিত করেন।
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী মূল চেক-ইন লাগেজে জমজমের পানি কিংবা যথাযথভাবে সিলগালা না করা প্রসাধনী সামগ্রী বহন করা যায় না। স্ক্যানিংয়ের সময় এসব পাওয়া গেলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিয়ম অনুসারে লাগেজ খুলে বা কেটে নিষিদ্ধ সামগ্রী জব্দ করে থাকে। এছাড়া প্রয়োজনীয় ঘোষণা ছাড়া বুকিং লাগেজে নগদ অর্থ বা মানিব্যাগ বহন করাও আন্তর্জাতিক বিধিমালার পরিপন্থী।
তিনি আরও জানান, ঢাকা বিমানবন্দরের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় কোনো ধরনের মিসহ্যান্ডলিংয়ের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতে আরও সতর্ক হতে পারবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সব স্তরে সেবার মানোন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করা গণমাধ্যমের দায়িত্ব। সম্মানিত যাত্রীদের ভ্রমণকে নিরাপদ ও আনন্দদায়ক করতে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
SobuzBanlgadesh
.jpg)