ঢাকা |

ভোলায় 'নতুন কুড়ি'র বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে

ভোলায় 'নতুন কুড়ি'র বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে ছবির ক্যাপশন :
header 3_728
গাজী তাহের লিটন, স্টাফ রিপোর্টার


ভোলার মনপুরায় জাতীয় শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উপলক্ষ্যে সরকারি বরাদ্দের ১ লাখ টাকা আত্নসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো. আবু মুছার বিরুদ্ধে। ইউএনওর এমন কর্মকাণ্ডে ক্রীড়াঙ্গনসহ স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, নতুন কড়ি স্পোর্টসের সরকারি বরাদ্দের এক লাখ টাকা আত্নসাতের অভিযোগ তুলেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহীন ও সদস্য হোসেন হাওলাদার। তারা দুইজনই সরকারি বরাদ্দের অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এই ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহিন জানান, "নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের" বিষয়ে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও ইউএনও মো. আবু মুছা তার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করেননি। ইউএনও নিজের মত করে সরকারি অর্থ উঠিয়েছেন। কিভাবে খরচ করেছেন ইউএনও বলতে পারবেন। তবে তিনি সরকারি বরাদ্দের তথ্য ও খরচের হিসাব প্রকাশের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তোলেন

এ ব্যাপারে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য হোসেন হাওলাদার জানান, নতুন কড়ি স্পোর্টসের ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন ২৭ খেলোয়াড়ের জন্য ভোলা যাতায়াতের খরচ ২৬ হাজার টাকা দেন ইউএনও মো. আবু মুছা। বাকি টাকা ইউএনও কি করেছেন তিনি জানেন না। তবে তিনিও সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্নসাতের অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তোলেন।

ভোলা জেলা ক্রীড়া সংস্থা সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয়ভাবে প্রতিটি উপজেলায় "নতুন কুড়ি" স্পোর্টসের জন্য ১ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ভোলায় খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণের জন্য যাতায়াত, থাকা-খাওয়ার জন্য ভোলা জেলা থেকে আরও ২৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। সর্বমোট ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে ভোলা জেলা ক্রীড়া কার্যালয়ের উপপরিচালক সাইদুল ইসলাম জানান, সরকারিভাবে ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও নতুন কুড়ি স্পোর্টসে অংশগ্রহনকারী খেলায়াড়ের যাতায়াত, খাওয়া-দাওয়ার জন্য জেলা থেকে নগদ ২৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে অর্থ আত্নসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো. আবু মুছা জানান, জেলা থেকে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা নতুন কুড়ি স্পোর্টসের প্রচারের জন্য। কিন্তু তিনি সরকারিভাবে বরাদ্দ ১ লাখ টাকার ব্যাপারে বলতে রাজি হননি।

এদিকে ইউএনওর বিরুদ্ধে অর্থআত্নসাতের বিষয়ে ভোলা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. শামীম রহমান জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : SobuzBanlgadesh
প্রতিবেদকের তথ্য
SobuzBanlgadesh

SobuzBanlgadesh

সর্বশেষ সংবাদ
তজুমদ্দিনে ভরা মৌসুমেও ইলিশের দেখা নেই, বিপাকে হাজারো জেলে

তজুমদ্দিনে ভরা মৌসুমেও ইলিশের দেখা নেই, বিপাকে হাজারো জেলে