স্টাফ রিপোর্টার
গাজীপুর মহানগরীর ১ নং ওয়ার্ডের জিরানী এলাকায় এক ভুয়া ডাক্তারকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় তার সহযোগী হাসপাতালের ম্যানেজারকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়। হাসপাতাল পরিচালনার কোন কাগজপত্র না থাকায় হাসপাতালটিও সিলগালা করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সিভিল সার্জন ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সুত্রে জানাযায়, দীর্ঘদিন যাবত ওই এলাকায় অবৈধভাবে ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে হাসপাতাল কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলো সাইন্সল্যাব হাসপাতাল নামে একটি প্রতিষ্ঠান। গাজীপুর জেলা এনএসআই এর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার ৫ জুলাই হাসপাতালটিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন গাজীপুর জেলা সিভিল সার্জন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সালেহুর রহমান ও প্রসিকিউটর ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা.সিয়াম মোর্শেদ।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে হাসপাতালে সনদবিহীন ডাক্তার দারা রোগী দেখানো, সিভিল সার্জন কার্যালয় কর্তৃক কোন নিবন্ধন না থাকা, পরিবেশ ছাড়পত্র না থাকা, ল্যাব এর কোন মান বজায় না থাকা ও এক ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অন্য ডাক্তার ব্যবহার করে থাকে বলে প্রমানিত হয়। এসময় ভুয়া চিকিৎসক কাওসার আহমেদকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, ডাক্তারের সহযোগী হাসপাতালের ম্যানেজার লিটন হোসেনকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা, হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী এস এম বুলবুল ইসলামকে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা এবং হাসপাতালের ফার্মেসী ব্যবসায় জড়িত মাহাদীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করে মোট এক লাখ চুরাশি হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সালেহুর রহমান বলেন, জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনো ধরনের প্রতারণা বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে চলবে। জনগণের নিরাপদ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে।
SobuzBanlgadesh
.jpg)