গাজী তাহের লিটন, স্টাফ রিপোর্টার
ভোলার লালমোহনের ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের মুসলিমিয়া আলিম মাদ্রাসায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির মাধ্যমে একজন কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের প্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল করা, ভুয়া চিঠি প্রস্তুত, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন এবং জাল ফলাফল শিট তৈরি। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মো. মোস্তফা কামাল উদ্দিন জাফরীর এমপিও সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। একই সঙ্গে কেন তাঁর এমপিও স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
গত ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত ওই আদেশে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬ অনুযায়ী গঠিত এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটি জুন-২০২৬ মাসের এমপিও আবেদন যাচাইয়ের সময় বিষয়টি শনাক্ত করে। ওই মাদ্রাসার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে মো. সাকিল নামে এক ব্যক্তিকে নতুন এমপিওভুক্ত করার আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল।
আবেদন যাচাই করতে গিয়ে কমিটি দেখতে পায়, নিয়োগ কার্যক্রমে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধির নামে সম্পূর্ণ ভুয়া চিঠি ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি জাল নিয়োগ বোর্ড গঠন, ভুয়া ফলাফল বিবরণী তৈরি এবং মহাপরিচালকের প্রতিনিধির স্বাক্ষর নকল করারও প্রমাণ পাওয়া যায় বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬ এর ১৮.১ (গ) ও (ঙ) ধারা অনুযায়ী অধ্যক্ষ মো. মোস্তফা কামাল উদ্দিন জাফরী (ইনডেক্স নং: B367661)-এর এমপিওভুক্ত বেতন-ভাতা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
SobuzBanlgadesh
.jpg)